ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৯২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৮৪ পয়সায়। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৯৮ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৪ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ১৪ পয়সায়। ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ১২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৭২ পয়সায়। ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬ হাজার ৭ কোটি ৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০১ কোটি ৫০ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৫। এর ৮৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


