ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২১ প্রার্থী এখনো নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, সংসদ নির্বাচনে যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের দাখিলের জন্য আগে ৬ মে পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও যেসব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এই সময়ের মধ্যেও ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের দাখিলের জন্য সর্বশেষ ১৪ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে যারা হিসাব জমা দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৪ এর বিধান অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসির তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়া প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির (রওশন) মির্জা মো. শওকত আকবর, সমাজতান্ত্রিক দলের হাবিব মো. ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আজিজুর রহমান সরকার, গণঅধিকার পরিষদের মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী ও মো. আইনুর রহমান (জুয়েল) মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আব্দুল হালিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।
তালিকায় আরও রয়েছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিবুল্লাহ খোকন ও অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, আমজনতার দলের মো. আলা উদ্দিন ও মো. জালাল উদ্দীন রুমী, গণঅধিকার পরিষদের মো. আবু তৈয়ব, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আবুল কালাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. লিটন, খেলাফত মজলিসের শেখ মুশতাক আহমদ, নাগরিক ঐক্যের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আবু সাঈদ মো. সূজাউদ্দীন।
ইসি জানায়, এই ২১ প্রার্থীকে দেওয়া নোটিশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


