ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে এবং শেয়ারবাজারে উত্থান দেখা গেছে।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসায় বিশ্বের বড় শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে; দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ার বাজার বেড়েছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এছাড়া হংকংয়ের হাং সেং ৩ শতাংশ এবং চীনের শেনচেন কম্পোজিট সূচক ৪ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপের বাজারগুলোতেও ব্যাপক উত্থান দেখা গেছে। গতকাল সকালে ব্রিটেনের এফটিএসই ১০০ সূচক ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। জার্মানির ড্যাক্স ৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং ফ্রান্সের সিএসি ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটেও ইতিবাচক সূচনার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, স্বল্পমেয়াদে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দীর্ঘমেয়াদে তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। সংঘাত শুরুর আগে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার থাকলেও এখন ২০২৭ সাল পর্যন্ত ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের ওপরে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শোর ক্যাপিটালের বিশ্লেষক জেমস হোসি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি ইতিবাচক পদক্ষেপ হলেও এটি স্থায়ী শান্তিতে রূপ নেবে কিনা, তা এখনো অনিশ্চিত। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে আস্থার ঘাটতি রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আবার সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।’


