দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে মোট মজুত প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন, যা দেশের চলমান চাহিদা পূরণে যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে সার্বিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সরকারি তথ্যমতে, মজুত জ্বালানির মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে রয়েছে ডিজেল। এর পরিমাণ ১ লাখ ২২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি, যা কৃষি, পরিবহন ও শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকায় এসব খাতে সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে।
এছাড়া পেট্রল ও অকটেনের মজুতও চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট রয়েছে। অকটেন প্রায় ৯ হাজার মেট্রিক টন এবং পেট্রল ১২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি সংরক্ষিত আছে। ব্যক্তিগত যানবাহন ও অন্যান্য ব্যবহারের জন্য এই মজুত যথেষ্ট বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অন্যদিকে জেট ফুয়েলের মজুত ৪১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি, যা বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক। পাশাপাশি ফার্নেস অয়েল, কেরোসিন ও মেরিন ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মজুত রয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, নৌপরিবহন ও গ্রামীণ ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারে দামের ওঠানামা থাকলেও দেশের ভেতরে সরবরাহ যেন স্থিতিশীল থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান মজুত পরিস্থিতি বিবেচনায় হঠাৎ কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলেও মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি ও মজুত ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা যায়।


