বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে এবং তা অব্যাহতভাবেই বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশানে তারেক রহমান-এর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক তৎপরতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, দলটি মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে সামনে আসার চেষ্টা করছে, তবে এসব বিষয়কে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে তিনি মনে করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনীতিকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেওয়া উচিত এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও তার নিজস্ব ধারায় এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিকে স্থবির করে দেওয়া বা গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা ঠিক নয়। বরং সব রাজনৈতিক দলকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, আওয়ামী লীগ বিভিন্নভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালালেও জনগণের কাছ থেকে তারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তার মতে, সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যেই দলটির প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে এবং সে কারণেই তাদের কার্যক্রমে তেমন সাড়া মিলছে না।
অন্যদিকে, তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছে। এতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।


