নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচলের স্থায়ী ভেন্যুতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। বিদেশী ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে এবারের আয়োজনে প্রথমবারের মতো চালু করা হচ্ছে ‘এক্সপোর্ট এনক্লেভ’। এতে ‘বেস্ট অব বাংলাদেশ’ শিরোনামে চামড়া, জুতা ও হালকা প্রকৌশল খাতসহ সাতটি রফতানিমুখী পণ্য প্রদর্শন করা হবে।
বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিসিএফইসি) ভবনে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় মেলার উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। পূর্বাচলে এবার পঞ্চমবারের মতো এ মেলার আসর বসতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী আয়োজিত এ মেলা দেশে উৎপাদিত গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশী-বিদেশী দর্শক, ভোক্তা, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারাও এ মেলার মাধ্যমে সহজেই বিদেশী পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা বিষয়ে সম্যক ধারণা পাচ্ছেন।’
প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি আশা করি, এ মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদেশে বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ, বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নেও এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, এবার মেলার লে-আউট প্ল্যান অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরির ৩২৪টি প্যাভিলিয়ন, স্টল, রেস্টুরেন্ট ও দেশীয় উৎপাদক-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ এতে অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া।


