বিদ্যুৎ খাতে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের শাহজিবাজার পাওয়ারের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ২৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৯২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা।
আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৭১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১৬ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ২৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৬ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪২৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৩১ হাজার ৬২৯। এর ৫৭ দশমিক ৬১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৯১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


