কারাগারে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে মারধরের অভিযোগ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ধরনের কোনো ঘটনা কারাগারে ঘটেনি এবং প্রচারিত কনটেন্টের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
বৃহস্পতিবার কারা অধিদপ্তরের গণমাধ্যম শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল ফরহাদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১–এ আটক আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে মারধর করা হয়েছে—এমন দাবি করে একটি ভিডিও ও লেখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা কারা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
কারা অধিদপ্তর জানায়, ওই কনটেন্টে দাবি করা হয় যে, কারাগারের কয়েদি বা হাজতিদের দিয়ে জঙ্গিবাদসংক্রান্ত বক্তব্য উদ্ধৃত করে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নির্যাতন করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও কারা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য প্রচার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আতাউর রহমান বিক্রমপুরী বর্তমানে কারাগারে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। তার সঙ্গে কোনো ধরনের অমানবিক আচরণ বা শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। কারা কর্তৃপক্ষ মনে করে, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অসমর্থিত তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এ ধরনের গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে নরসিংদী থেকে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে তাকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন।


