প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক আলী রীয়াজ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার মধ্যরাতে একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
২ নভেম্বর পেশাগত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যান ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও সরকার বিভাগের এই অধ্যাপক। সফরকালে ১৩ নভেম্বর টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে বাংলাদেশের মূল সংবিধান ও পরবর্তী সংশোধনীগুলো কীভাবে রাষ্ট্রের পরিচয় নির্ধারণে প্রভাব ফেলেছে এবং তা রাজনীতি ও সমাজে কী ধরনের বিভাজন তৈরি করেছে—এ বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গত ৩১ অক্টোবর কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দুটি দফায় সংলাপ করে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করে কমিশন। ২৭ অক্টোবর সনদ বাস্তবায়নের জন্য কমিশন সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেয়। পরবর্তীতে ১৩ নভেম্বর সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার) আদেশ জারি করে।
একই দিনে অধ্যাপক আলী রীয়াজকে উপদেষ্টা পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দেশে ফিরে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটিসংক্রান্ত কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়েছে এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে বক্তৃতা প্রদানই ছিল তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য। তিনি আরও বলেন, সফর চলাকালেই বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগের খবর তিনি জানতে পারেন।


