বাংলাদেশের পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে চীন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বলেন, বাংলাদেশি শতভাগ টেক্সটাইল আইটেমে ইতোমধ্যেই শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “চীনের বাজারে বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি উন্নত মানের কৃষিপণ্য প্রবেশ করছে। চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশি কাঁচা আমের প্রথম চালান সফলভাবে চীনে রপ্তানি করা হয়েছিল এবং আমরা এখন কাঁঠাল ও পেয়ারার প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি।”
চীনা বিনিয়োগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরো বলেন, “গত বছরের আগস্ট থেকে ২০টিরও বেশি চীনা কম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।”
একটি টেকসই সবুজ শিল্প শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, ডিজিটাল প্রিন্টিং এবং স্মার্ট উৎপাদন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্বের ওপরও জোর দিয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, “দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব সবসময় লাভজনক সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। বস্ত্র শিল্পে সবুজ রূপান্তর উন্নীত করতে জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ প্রবর্তনে সহায়তা করতে এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।”
দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, “চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। চীন ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি করযোগ্য পণ্যের শতভাগের বেশি শূন্য-শুল্ক আরোপ করেছে, যা উভয়ের সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি বেইজিংয়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।”


