দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এছাসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, তরুণদের সঠিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিশ্চিত করাই হবে আগামী দিনের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।
বুধবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজে আয়োজিত ‘অন গ্রিড সোলার প্রজেক্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও আধুনিক করতে হবে। শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, শিক্ষাখাতে উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য সরকার বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় সেশনজট কমিয়ে আনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করতে শিগগিরই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এখন সময়ের দাবি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাবের হোসেন বলেন, নতুন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর ফলে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। তিনি জানান, এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও একটি উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়লে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।


