আগামী হজ মৌসুমের জন্য হজ ২০২৭ প্যাকেজ প্রণয়নের সময় হজযাত্রীদের সুবিধা ও চাহিদার ভিত্তিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য (কক্সবাজার-৩) লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম সফলভাবে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। হজ প্যাকেজ ঘোষণার মাধ্যমে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ অংশের যাবতীয় খরচ ইতোমধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া, সৌদি আরবের সময়সূচী অনুযায়ী ভিসাসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। প্যাকেজ অনুযায়ী হজযাত্রীদের যাত্রা ও আবাসনসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছর হজ ২০২৭ প্যাকেজ প্রণয়নের সময় হজযাত্রীদের আর্থিক ব্যয় কমিয়ে সুবিধা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হজযাত্রীদের প্রয়োজন ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হজ প্যাকেজে নতুন ধরনের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি বিভিন্ন খরচ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে হজযাত্রীদের আর্থিক চাপ কমানো এবং যাত্রার মান উন্নত করা হবে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, হজ কার্যক্রমের জন্য প্রতিটি খরচের খাত ও সময়সূচী সুসংহতভাবে পরিকল্পিত হচ্ছে। আগামী বছরও হজযাত্রীরা নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে হজ পালনের সুযোগ পাবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


