রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমতের অবস্থান থাকলেও পারস্পরিক সৌজন্য ও মানবিক সম্পর্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াতে ইসলামীর আমির সাময়িক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে তার খোঁজখবর নেন এবং টেলিফোনে কথা বলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি ডা. শফিকুর রহমান। বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে মিয়া গোলাম পরওয়ার–এর ফোন থেকেই দুই নেতার মধ্যে কথা হয়। আলাপচারিতায় পরস্পরের কুশল বিনিময় ও সুস্থতা কামনা করা হয়।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জানান, প্রধানমন্ত্রী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খোঁজ নিয়েছেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহমর্মিতা বজায় থাকা প্রয়োজন—এই বার্তাই এ ঘটনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
এদিকে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাকে সপরিবারে ইফতারের আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী সাদরে গ্রহণ করেছেন বলেও জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমন সৌজন্য বিনিময় ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং সংলাপের পরিবেশকে উৎসাহিত করতে পারে।
উল্লেখ্য, অসুস্থতার পরদিনই ডা. শফিকুর রহমানের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে যায়। তিনি রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা সদস্যদের কবর জিয়ারত করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন এবং শিগগিরই নিয়মিত কর্মসূচিতে ফিরবেন।


