বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে, ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিনটি উপলক্ষ্যে বিএনপি ও কোকোর পরিবার পক্ষ থেকে দোয়া, মিলাদ এবং স্মরণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আরাফাত রহমান কোকো ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। মৃত্যুর দুই দিন পর তার মরদেহ দেশে আনা হয় এবং রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এরপর থেকেই প্রতিবছর দলীয় ও পারিবারিকভাবে দিনটি শ্রদ্ধা ও দোয়ার মধ্য দিয়ে পালন করা হয়ে আসছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ সকাল থেকেই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সকাল থেকে বনানী কবরস্থানে কোরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতারা কোকোর কবর জিয়ারত করেন এবং পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়েও মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
আরাফাত রহমান কোকো রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেন এবং ক্রীড়া উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।
উল্লেখ্য, এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসা থেকে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যান। সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন।দলীয় নেতারা বলেন, কোকোর মৃত্যু বিএনপির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, আর তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই এসব কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।


