দেশের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদায়নে এবার নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো—লটারি পদ্ধতি। আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রাধান্য দিয়ে জেলাগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে এ পদায়ন সম্পন্ন করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, এসপি বাছাইয়ে প্রথমে মেধা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়; যোগ্য কর্মকর্তাদের কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়েননি।
বুধবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভিত্তিতে জেলাগুলোকে এ, বি ও সি—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এরপর মেধাবীদের তালিকা চূড়ান্ত করে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় কে কোন জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। তার ভাষায়, “যার ভাগ্যে যে জেলা জুটেছে, সেটিই তাকে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোট ৬৪ জেলায় বিদ্যমান এসপিদের মধ্যে ১৮ জনকে বদলি করা হয়েছে এবং তাদের জায়গায় নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। লটারির মাধ্যমেই এই নতুনদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। ওসি পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদায়নও একই প্রক্রিয়ায় হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমরা স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। মেধাবীদের বাদ না দিয়ে বরং লটারির মাধ্যমে দায়িত্ব বণ্টন করায় পক্ষপাতহীনতা নিশ্চিত হয়েছে।” নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


