সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
রোববার (১০ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির অনুমোদনে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতের এ সিদ্ধান্তে দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় কারাভোগের পর মুক্তি পথ প্রশস্ত হলো লতিফ সিদ্দিকীর।
তবে একই মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আপিল বিভাগ জানিয়েছে, হাইকোর্টের লিখিত আদেশ হাতে পাওয়ার পর তার জামিন আবেদন নিয়ে পরবর্তী আদেশ দেওয়া হবে। ততদিন তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন না।
এর আগে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাইকোর্ট গত ৬ নভেম্বর লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে জামিন দেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার আদালতে সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিল, যা আজ আপিল বিভাগে খারিজ হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মঞ্চ–৭১’ নামের একটি সংগঠনের আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার পর লতিফ সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না ও আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিতর্কিত বক্তব্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য অতীতেও আলোচনায় ছিলেন লতিফ সিদ্দিকী। এবার আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তে তার মুক্তির পথ উন্মুক্ত হলো, যা মামলার অগ্রগতিতে নতুন অধ্যায় যোগ করবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।


