গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
গতকাল বাজারে কাঁচা পেঁপে ২৫-৩০ টাকা কেজি, লাউ ৬০-৭০, টমেটো ১৪০-১৬০, ইন্ডিয়ান গাজর ১২০-১৪০, দেশী শসা ৮০ ও হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া লেবুর হালি ১৫-৩০ টাকা, ধনে পাতা ৩৫০, কাঁচকলা হালি ৪০, চালকুমড়া প্রতি পিস ৬০, ক্যাপসিকাম ৪০০, কাঁকরোল ১০০, মূলা ৮০, শিম ২০০ ও মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হয়।
গতকাল হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কাঁচামরিচের সংকট। পাঁচদিন আগে দেশীয় কাঁচামরিচ ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হিলি বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আগে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির ফলে বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কম ছিল। কিন্তু দুর্গা পূজার কারণে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি বন্ধ রয়েছে। ফলে বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের ওপর চাপ বেড়েছে। সরবরাহ কমায় দাম বাড়তে শুরু করেছে।’
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দেশের বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা নিয়মিতভাবে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি করছিলাম। এতে বাজারে পণ্যটির দাম কমতির দিকে ছিল। পূজার বন্ধের আগে আমরা বন্দরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ প্রকারভেদে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছিলাম। পূজার কারণে গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি বন্ধ। দেশের অন্যান্য স্থলবন্দর দিয়েও কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে না। পূজার ছুটি শেষে শনিবার (আজ) থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারো কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হলে পণ্যটির দাম কমে আসবে।’


