শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে ৯০১ কোটি টাকার কর-পরবর্তী নিট মুনাফা করেছে। আগের বছরের তুলনায় ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে ২০ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে ইস্টার্ন ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ ২১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৫৫ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে ব্যাংকটির ঋণ ও অগ্রিম ১৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। গত বছর ইস্টার্ন ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ২১ হাজার ১৪৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
গত বছরে মূলধন ভিত্তি আরো শক্তিশালী করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক। ২০২৫ সালে ব্যাংকটির একক ভিত্তিতে ক্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ্যাসেটের অনুপাত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৪৯ শতাংশে, যা ২০২৪ সালে ছিল ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০২৫ হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৮৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ইস্টার্ন ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৩ পয়সায়।
১৯৯৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫৯৫ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৬৯৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫৯ কোটি ৫৮ লাখ ১৩ হাজার ৩৮৮। এর ৩১ দশমিক ৪৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪০ দশমিক ৮৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৬৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ ২৭ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ২০ টাকা ৭০ থেকে ২৮ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।


