সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসির ঋণমাণ দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ২’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৯২ পয়সায়, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৭২ টাকা ৮৭ পয়সা।
চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৪৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ৮৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল টাকা ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৬০ পয়সায়।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৫৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩ হাজার ৫৮০। এর ৬০ দশমিক ৬৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ৬১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


