দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সাত দেশের আটটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ লাখ ২৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার। এ প্রক্রিয়ায় ব্যয় হবে প্রায় ১১ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
জ্বালানি আমদানির এ পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া, আরব আমিরাত, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ওমানের আটটি প্রতিষ্ঠান থেকে পরিশোধিত তেল আমদানি করা হবে। এসব তেলের মধ্যে রয়েছে গ্যাস অয়েল ৮ লাখ ৮০ হাজার টন, জেট এ-১: ১ লাখ ৯০ হাজার টন, মোগ্যাস ৭৫ হাজার টন, ফার্নেস অয়েল ২ লাখ ৫০ হাজার টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার টন। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, জি-টু-জি ভিত্তিতে এই আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারি-জুন ২০২৫ সময়কালে এসব তেল সরবরাহ করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিশোধিত তেল আমদানির প্রস্তাব ইতোমধ্যে নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। গত বছরের ২৪ অক্টোবর সিসিইএ সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করছে, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার পাশাপাশি জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।


