রাজধানীর বাজারগুলোতে শাক-সবজির দাম কমে ভোক্তারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও চাল, মাছ ও মুরগির বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে, তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতারা হতাশ।কারওয়ান বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে ব্যবসায়ীরা জানান, পরিবহন খাতে বাধা কমায় সরবরাহ বেড়েছে। মানভেদে বেগুন ৫০-৬০ টাকা, মুলা ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা এবং শিম ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাকের দামও তুলনামূলক কম। লালশাক, মুলাশাক ১০-১৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ কেজিতে ৫০-৮০ টাকায় নেমে এসেছে।দেশের বিভিন্ন জেলায় আমন ধান উঠলেও চালের দাম বাড়ছে। মিনিকেট ৭৪-৭৮ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, মিল পর্যায়ে দাম বাড়তি হওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম দুই সপ্তাহে কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়েছে। ব্রয়লার ২০০-২২০ টাকা, সোনালি ৩২০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও মুরগির বাজার ক্রমশ চড়া।
মাছের সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রুই ৩৮০-৪৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০-২৩০ টাকা এবং দেশি কৈ ১ হাজার ৩০০-১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৮ টাকা বাড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বিক্রেতারা জানান, কোম্পানিগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম তেল সরবরাহ করছে। ভোক্তাদের দাবি, বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই পরিস্থিতি ক্রমেই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।


