ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ শুল্ক, কর এবং গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য আত্মঘাতী বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ ধরনের সিদ্ধান্ত সামগ্রিক অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে পারে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, আমদানি খরচ বৃদ্ধি এবং ঋণ প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতার মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এ অবস্থায় ১০০টিরও বেশি পণ্যে ভ্যাট বৃদ্ধি এবং শিল্পে গ্যাসের মূল্য দ্বিগুণের বেশি করার উদ্যোগ ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ডিসিসিআই সভাপতি জানান, উচ্চ শুল্ক ও কর কাঠামো, ঋণের উচ্চ সুদহার এবং অব্যাহত জ্বালানি সংকটের কারণে বেসরকারি খাত ইতোমধ্যেই চাপে রয়েছে। এসবের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং আর্থিক খাতে তারল্য সংকট নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তিনি বলেন, সিএমএসই খাতে উদ্যোক্তারা সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ পাচ্ছে না। এ খাতের উদ্যোক্তাদের সহায়তা বাড়াতে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা জরুরি। কারণ, এসএমই খাত দেশের বৃহত্তর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।
এলডিসি উত্তরণ প্রসঙ্গে তাসকীন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক প্রভাব এবং স্থানীয় সংকট এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারি খাতকে সহযোগিতা করতে।
সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছতা সাধনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে স্বচ্ছতা ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা উচিত। অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং এডিপি বাস্তবায়নে কার্যকর নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
ডিসিসিআই সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, কর কাঠামোর ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন করলে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আরও উৎসাহী হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোঃ সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থ


