রমজান শুরু হতে আর মাত্র আট দিন বাকি, কিন্তু বাজারে এখনও দেখা মিলছে না ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলের। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ডিলারদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় বাজারে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ১ ও ২ লিটারের বোতল কিছুটা মিললেও ৫ লিটারের বোতল একেবারেই অনুপস্থিত।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ সংকটের কারণে ভোক্তারা তেলের অভাবে ভুগছেন। এ অবস্থায় বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। মাংসের বাজার চড়া, কমেছে কিছু নিত্যপণ্যের দাম
এদিকে, মাংসের বাজারেও লেগেছে দাম বাড়ার প্রভাব। খাসির মাংসের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে তুলনামূলক উচ্চ দামে। গরুর মাংসের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও কেজি প্রতি ৭৫০-৭৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
তবে ব্রয়লার মুরগির দাম সামান্য কমেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির কেজি প্রতি ১০-১৫ টাকা কমে ১৮৫-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও কিছুটা কমে ২৮০-৩০০ টাকা হয়েছে।
রমজানকে সামনে রেখে কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। চিনি, ছোলা ও ডালের বাজারে স্বস্তির হাওয়া। গত সপ্তাহের তুলনায় এসব পণ্যের কেজি প্রতি দাম ৫-১০ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ বাড়ার কারণে এই দাম কমেছে। তবে ভোক্তারা আশঙ্কা করছেন, বাজারে তেলের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে রমজানের আগে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ৫ লিটারের বোতলের অভাবের কারণে অনেকেই বেশি দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। রমজানের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা গ্রহণ না করলে নিত্যপণ্যের দামের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।রমজান ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের তদারকি জরুরি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত না হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে।
ভোক্তারা চাইছেন, বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক হোক, যেন রমজানের সময় আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমে। আমি একটি নতুন সংবাদ তৈরি করেছি, যা একই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কিন্তু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আপনি এটি সম্পাদনা করতে পারেন।


