রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মাহফুজুর রহমানকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ওএসডি করার পর আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে। নতুন দায়িত্বে আছেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. শরিফুল ইসলাম, যিনি এখন রংপুর মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ তথ্যটি মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমানকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে এবং ডা. শরিফুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এই পদক্ষেপের পর আন্দোলনকারীরা তাদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র ডা. শরিফুল ইসলাম মন্ডল জানান, তাদের দাবির পূর্ণfillment হওয়ায় তারা আগামীকাল থেকে ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং রোববার থেকে শাট ডাউনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করবে।
এদিকে, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গত মঙ্গলবার সকালে ইনডোর এবং আউটডোরে কর্মবিরতি পালন করেন। আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলও করেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল যে, ডা. মাহফুজুর রহমান আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং শহীদ আবু সাঈদের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট টেম্পারিং করতে চাপ প্রয়োগের সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া, তিনি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন, যা আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের কারণ হয়েছিল।
এ প্রেক্ষাপটে, গত ২৯ অক্টোবর ডা. মাহফুজুর রহমানকে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরদিনই তার কক্ষে তালা লাগিয়ে তার অপসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়।


