মুন্সীগঞ্জের প্রধান সড়কের ভোরের হাটে এখন শীতের সবজির সরব উপস্থিতি। কৃষকের ক্ষেত থেকে সরাসরি বাজারে আসা সবজিতে জমে উঠেছে ক্রেতা–পাইকারদের কেনা-বেচা। ভোর থেকেই হাঁকডাকে জমজমাট হয়ে ওঠে অস্থায়ী এই সবজির হাট। এতে পাইকারি দরে বিক্রি হওয়া শীতকালীন সবজি সাময়িকভাবে বাজারে প্রবাহিত হলেও দাম কমতে দেখা যায়নি। কিছু সবজির দাম বাড়লেও, কিছু সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
নতুন সবজির মধ্যে রয়েছে তাজা সীম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, লাউ, টমেটো এবং লাল শাক। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। কাঁচা মরিচের দাম ১২০ টাকা, ধনেপাতা ১৮০ টাকা, টমেটো ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গাজর ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সরবরাহ ভালো থাকার পরও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারার কারণে ক্রেতারা হতাশ। শহরের শিলমন্দি এলাকার বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ভোরের হাটে দাম তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে, কিন্তু সকাল ৮টার পর বাজারে গেলে দেখি দাম দ্বিগুণ। এটা সিন্ডিকেট ছাড়া কিছু নয়।’
এছাড়া, আলুর বহুমুখী ব্যবহার এবং বিদেশে রফতানির উপর বেশি জোর দেওয়া উচিত বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক।
ভোরের এই অস্থায়ী হাটে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ মেট্রিক টন সবজি বিক্রি হয়। তবে, দামের হেরফের দেখা যায় ভিন্ন ভিন্ন সবজির ক্ষেত্রে। ফুলকপি পিসপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় এবং লাউ ৩০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসা ৫০ থেকে ৬০, খিরা ৭০ থেকে ৮০, জিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০, ধুন্দল ও কহি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
মসলাজাতীয় সবজির মধ্যে কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়, ধনেপাতা ১৮০ টাকায় এবং কেপসিকাম ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, মৌসুমি আমলকির দাম কেজিতে ২৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।


