তারেক রহমান আরও লিখেন, একমাত্র জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের পক্ষেই জাতির পুনর্গঠন সম্ভব।
জনগণের পছন্দের প্রতিনিধিকে সম্মান করা হবে এবং প্রতিনিধিদের অবশ্যই জনগণের সেবা করতে হবে। উভয়পক্ষকেই রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে, যাতে সবা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনে করেন, দেশের বর্তমান সংকট কাটিয়ে পুনর্গঠন এবং অগ্রগতির জন্য দ্রুত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনই একমাত্র পথ। রোববার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, “আওয়ামী লীগ তাদের স্বার্থে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তুলেছে। এই ভঙ্গুরতা দীর্ঘায়িত হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সঠিক সময়ে নির্বাচন না হলে এই ভঙ্গুর কাঠামোর মেরামতেও বিলম্ব হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ বর্তমানে জনস্বাস্থ্য খাত, শিক্ষা ব্যবস্থা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বহুমুখী সংকটের মধ্যে আটকে রয়েছে। বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চালানো রাজনৈতিক প্রভাব দেশকে স্থবির করে তুলেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হলে জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার দরকার।
তারেক রহমান বলেন, “একমাত্র জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের পক্ষেই দেশকে পুনর্গঠন করা সম্ভব। একটি গণতান্ত্রিক সরকারই জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করতে পারে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের পছন্দের প্রতিনিধিকে সম্মান জানানো এবং সেই প্রতিনিধিদের জনগণের সেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। “রাষ্ট্র পরিচালনায় সমতা, অন্তর্ভুক্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার এবং জনগণের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে,” মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমানের এই মন্তব্য এমন এক সময় এলো, যখন দেশে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। আগামী নির্বাচন দ্রুত হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় এবং আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে তার বক্তব্য বিএনপির অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। তারেক রহমানের বক্তব্য সেই দাবি নতুন করে জোরালো করল


