নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজের গতি বাড়ানোর জন্য নতুন কমিটি গঠন করেছে। ২০১০ সালের নির্বাচন কমিশন বিধিমালা অনুযায়ী, চারটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার প্রতিটির নেতৃত্বে রয়েছেন নির্বাচন কমিশনাররা। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) এসব কমিটি গঠনের জন্য চারটি আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আইন ও বিধি সংস্কার কমিটি, যা ৮ সদস্যের, এর নেতৃত্বে আছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছুউদ। এই কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশন এবং তার অধীনস্থ অন্যান্য সংস্থাগুলোর বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করা এবং তা সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া।
অপরদিকে, বেগম তাহমিদা আহমদের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটি প্রশাসনিক সংস্কার, নিয়োগ, পদোন্নতি এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করবে। এই কমিটি নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমকে আরও উন্নত এবং কার্যকর করার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে সীমানা পুনঃনির্ধারণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং ভোটগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার জন্য। এই ৬ সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে আছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠিত হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র, ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর কাজ করার জন্য। এই ১০ সদস্যের কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
এই কমিটি গঠন করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে আরও কার্যকর এবং আধুনিকভাবে পরিচালিত করার উদ্দেশ্যে। নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পরিচালনার ক্ষেত্রে এসব কমিটির কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন কমিশনের প্রথম বৈঠকে এই কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। ২৪ নভেম্বর শপথগ্রহণের মাধ্যমে এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ নতুন নির্বাচন কমিশনাররা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।


