গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারিতে এখন পর্যন্ত ১,৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। এর মধ্যে ৩৩০ জন গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রায় এক হাজার অভিযোগের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। কমিশনে আসা ২৮০ জন অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ৪৫ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে।
কমিশনের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দেশের সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপার এবং বিজিবির সেক্টর কমান্ডারদের কাছ থেকে ৫ আগস্টের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশ ১৪০ জনের তথ্য দিয়েছে, তবে এদের মধ্যে কোনো গুম হওয়া ব্যক্তির নাম এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানান মইনুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, কমিশনের কাজ চলমান রয়েছে এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে অনুসন্ধানকে সফল করতে ভুক্তভোগী পরিবার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন।
কমিশনের সভাপতি জানান, বেশ কিছু মামলায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। কিছু অভিযোগের ক্ষেত্রে আরও সাক্ষ্য ও প্রমাণ প্রয়োজন, যা সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। এদিকে, গুমের ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে আনতে আরও বিস্তৃত অনুসন্ধানের প্রয়োজন বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তারা কমিশনের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দ্রুততার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।


