বুঝলাম যে এখন তারা জ্বালানি এবং ইত্যাদির কারণে ঋণ নিতে হচ্ছে। বিভিন্ন কিছু সামাল দিতে হচ্ছে। তাদের ইলেকশনে আশ্বাস যেগুলো আছে, সেগুলো বাস্তবায়নের একটা তাদের বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি যেটা জোর দিতে হবে, সেটা হলো আমাদের সম্পদ আহরণ, রাজস্ব কীভাবে আমরা বৃদ্ধি করতে পারি। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে শেষ তিন মাসে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সরকার। কারণ কেবল জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্তই নেওয়া হয় প্রায় ৫৬ হাজার কোটি। যা আগের ছয় মাসের চেয়েও বেশি। আরো স্পষ্ট করলে, ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৪১ হাজার কোটি। অর্থাৎ বিএনপি সরকারের দেড় মাসেই তা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ। ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকদের মতে, সরকার এমন আগ্রাসী ঋণ নিলে থেমে যাবে প্রবৃদ্ধির গতি। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকার যদি এরকম ব্যাংক থেকে ঋণ বেশি নেয়, সেটা কিন্তু আলটিমেটলি রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই যে ঋণ নিচ্ছে, এই ঋণ পরিশোধ করা নিয়েও দেখা যাবে যে সরকার সংকটে পড়ে গেছে।