একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) বিনিয়োগকারীরা এ অনুমোদন দেন। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ২৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ৯৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


