মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করতে ৮০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির পর্ষদ। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এই বন্ড ইস্যু করা হবে। গতকাল প্রকাশিত এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যে (পিএসআই) বিষয়টি জানিয়েছে ব্যাংকটি।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইস্টার্ন ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৫৭ পয়সা।
ইস্টার্ন ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
১৯৯৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫৯৫ কোটি ৮১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৬৯৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫৯ কোটি ৫৮ লাখ ১৩ হাজার ৩৮৮। এর ৩১ দশমিক ৪৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৩ দশমিক শূন্য ৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৫৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


