মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করতে ৫০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির পর্ষদ।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচ্য হিসাব বছরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৬৩ পয়সায়। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৯৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ৫ শতাংশ লভ্যাশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে আড়াই শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬ টাকা ৬৭ পয়সায়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সর্বশেষ এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড।
২০০৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১১৫ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭২৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪২ হাজার ৩০৮। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ৩ দশমিক ৫৭, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৭ দশমিক ৪৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


