জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ভোটের দিন ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
গতকাল নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। চিঠিটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তবে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরো দীর্ঘ করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় কিছু জরুরি ও বিশেষ ক্ষেত্রে যানবাহন চলাচলে শিথিলতা রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন। অনুরূপভাবে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবা, ওষুধ ও স্বাস্থ্যসামগ্রী পরিবহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন।
এছাড়া বৈধ টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রী ও তাদের স্বজনদের ব্যবহৃত যানবাহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ২৪ ঘণ্টা নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ, ইঞ্জিন বোট (নির্দিষ্ট রুটে চলাচলকারী ব্যতীত) ইত্যাদি নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।