রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৩৯৬ কোটি টাকা নিট লোকসান হয়েছে।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি রূপালী ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৯৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে রূপালী ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ১৪ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রূপালী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।
রূপালী ব্যাংকের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ব্যাংকটির ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৮৭ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৮ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৫। এর ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশই রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৩২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল রূপালী ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ ১৬ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৫ টাকা ২০ থেকে ২৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।


