দেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ফের সন্দেহ ও অনিশ্চয়তার আবহ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংলাপের অনুপস্থিতি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা ঘিরে নানা আলোচনা উঠছে। এমন এক সময়ে, যখন নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে, তখনই মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে কূটনৈতিক মহল পর্যন্ত নানা প্রশ্ন সামনে আসছে—এই নির্বাচনের পরিবেশ কতটা বিশ্বাসযোগ্য হবে?
বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলো দাবি করছে, অতীতের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে এই নির্বাচন অর্থহীন হয়ে উঠবে। সরকার পক্ষ যদিও বলছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তারা প্রস্তুত এবং নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। এখনো অনেক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিভক্ত মত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, অনেকে এখনো অপেক্ষা করছে মাঠের চিত্র দেখার জন্য। মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচনের বাকি মাত্র কয়েক মাস, অথচ অনিশ্চয়তা ঘিরে দেশের সাধারণ মানুষও দ্বিধায়। প্রশ্ন উঠছে—এই নির্বাচন কি সত্যিই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে? নাকি আগের মতোই শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা পূরণে সীমাবদ্ধ থাকবে?
যদি এই অনিশ্চয়তার ধোঁয়াশা দূর না হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন উঠে আসবে বলেই আশঙ্কা বিশ্লেষকদের


