দেশের নতুন বাণিজ্যমন্ত্রী হয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন। তিনি আগে খালেদা জিয়া–এর উপদেষ্টা ছিলেন এবং সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন মো. শরীফুল আলম। তিনি কিশোরগঞ্জ-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।
১৯৭২ সালে যাত্রা শুরু করা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বর্তমানে আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, ট্যারিফ নির্ধারণসহ ৩১ ধরনের কাজ তদারক করে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নেতৃত্বের সামনে পাঁচটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা, এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাজারসুবিধা নিশ্চিত করা এবং বাণিজ্য কাঠামোর সংস্কার।


