ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৫ আয়োজন করা হচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এই প্রতিযোগিতা ধারাবাহিকভাবে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রতিযোগিতাটি দেশের ৪৯৫টি উপজেলা, ৬৪টি জেলা এবং ৮টি বিভাগকে মোট ১৫টি জোনে ভাগ করে পরিচালিত হবে। ঢাকা মহানগরীতে চারটি জোন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে তিনটি এবং রাজশাহী ও খুলনা মহানগরীতে দুটি করে জোন থাকবে। বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ মহানগরীতে একটি করে জোন নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানুয়ারিতে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ফেব্রুয়ারিতে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা এবং এপ্রিল মাসে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষ হবে। মে মাসে ঢাকায় চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতা তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ক গ্রুপে তাজবীদসহ পূর্ণ ৩০ পারা হিফজ (অনূর্ধ্ব ১৮ বছর), খ গ্রুপে তাজবীদসহ ২০ পারা হিফজ (অনূর্ধ্ব ১৫ বছর) এবং গ গ্রুপে তাজবীদসহ ১০ পারা হিফজ (অনূর্ধ্ব ১২ বছর) বিষয়ে প্রতিযোগিতা হবে।
একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি গ্রুপে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিযোগী অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। প্রতিযোগীদের দক্ষতা যাচাইয়ে পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন অংশ থেকে হিফজ, তাজবীদ ও শুদ্ধ উচ্চারণের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। জাতীয় পর্যায়ে ক গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জনকারী পাবেন দুই লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী এক লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী এক লাখ টাকা। খ ও গ গ্রুপের বিজয়ীদের জন্যও রয়েছে সমান পুরস্কার। বিজয়ীরা নগদ অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও সনদপত্রও পাবেন।
উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিজয়ীদের জন্যও পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নতুন প্রজন্মকে কুরআন অধ্যয়নে উদ্বুদ্ধ করতে চায়। পাশাপাশি এটি কুরআনের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


