ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, আরিচা-কাজিরহাট এবং শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাকসহ অসংখ্য যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন) সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টা থেকে নদীতে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সময় আরিচা-কাজিরহাট নৌপথেও ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, ঘন কুয়াশার কারণে চ্যানেলের মার্কিং পয়েন্ট স্পষ্ট না থাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কুয়াশার তীব্রতা কমে গেলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হবে।
নরসিংহপুর ফেরিঘাটের উপ-ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার দিনগত রাত থেকেই নরসিংহপুর এলাকায় ঘন কুয়াশা শুরু হয়। কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকায় ভোর ৫টা থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে, কোনো ফেরি নদীতে আটকা পড়েনি।
অন্যদিকে, কাঁঠালবাড়ি-শরীয়তপুর নৌরুটেও ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই রুটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, “তীব্র কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফেরি চলাচল শুরু হবে।”
ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক এবং অন্যান্য যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব যানবাহন সিরিয়াল অনুযায়ী পারাপার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, নদীপথে কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে প্রতি বছর শীত মৌসুমে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তবে যানবাহনের দীর্ঘসময় অপেক্ষায় থাকার ফলে যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি বাড়ছে।


