প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়, ব্যাংক ব্যবস্থাপনাসহ ভগ্ন দশায় থাকা দেশের আর্থিক খাতের শুদ্ধতায় আনা পরিবর্তনগুলো। আর নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দিয়ে সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুরু হবে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুর করতে রোডম্যাপ তৈরি করা রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দিয়ে যাচাই-বাছাই করে কোন ব্যাংক কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি নিরূপণ করা হবে।
অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব কোন পথে, কীভাবে হবে এ নিয়ে মার্কিন সরকারের নীতি সহায়তাও চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর জানান, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও বিশ্বব্যাংকের কাছে নীতি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ সহায়তা দরকার।
আর বার্ষিক সভায় অংশ নেয়া অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী জানান, প্রয়োজনের বেশি সহযোগিতা পেতে পারে বাংলাদেশ।
বর্তমানে দেশে মাথাপিছু ঋণের বোঝা প্রায় দেড় লাখ টাকা। এমন প্রেক্ষাপটে দাতা গোষ্ঠী বা নিজস্ব অর্থ- যাই হোক, তা যেন প্রকৃত অর্থেই সঠিকভাবে খরচ হয় সেটি নিশ্চিতের দাবি সব মহলের।