সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা বহাল রাখা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত বিশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখাতে এবং নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে চলমান বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজন হলে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


