কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কয়েক হাজার মানুষ উঠেছেন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। বেশ কয়েকটি এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। নেই মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক। তলিয়ে যাওয়া সড়কে যান চলাচল বন্ধ। কয়েক দিন ধরে পানির নিচে থাকা কয়েক হাজার হেক্টর জমির আমন ধান, সবজি ও বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া সাত জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
দুর্গতদের জন্য সাত উপজেলা ও দুই পৌরসভায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খিচুড়ি, শুকনা খাবার, মোমবাতি ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া হচ্ছে।
দুর্গতদের জন্য সাত উপজেলা ও দুই পৌরসভায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে খিচুড়ি, শুকনা খাবার, মোমবাতি ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া হচ্ছে।


