দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)কে পুনরায় কার্যকর ও গতিশীল সংগঠনে পরিণত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে হলে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই।
সোমবার (৭ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্কের সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার সঙ্গেও জড়িত। তাই সংস্থাটিকে সময়োপযোগী করতে এর কাঠামো ও কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। একই সঙ্গে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ জোরদার করাও জরুরি।
তিনি জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানো হয়েছে। এ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং সার্ককে সক্রিয় করার বিষয়ে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ সবসময়ই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আঞ্চলিক সংযোগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে। ভবিষ্যতেও এ নীতি অনুসরণ করে সার্কের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরভিত্তিক আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের সঙ্গেও সমন্বিতভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ।


