আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর একক ভ্যাট হার কার্যকর করার পরিকল্পনাও আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে।
এ ছাড়া ভ্যাট ব্যবস্থাপনা সহজ করতে মাসিকের পরিবর্তে তিন মাস পরপর ভ্যাট রিটার্ন ও ভ্যাট পরিশোধের সুযোগ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সরকারের মতে, এতে ব্যবসায়ীদের কর পরিপালনের ব্যয় কমবে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তিন মাস পর ভ্যাট পরিশোধের সুযোগ থাকায় খেলাপির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার নিচে, এমন ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা ছিল এনবিআরের। প্রতি মাসে ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই ভ্যাট হওয়ার কথা ছিল। বিষয়টি নিয়ে ২৪ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মুদিদোকান, প্রসাধনসামগ্রীর দোকানসহ ১৬টি খুচরা ও সেবামূলক খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে একক করের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এসবের মধ্যে মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁও অন্তর্ভুক্ত ছিল।


