বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-এর স্মরণে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গৃহীত শোক প্রস্তাব দুই বাংলার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যেও এ উদ্যোগকে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখছেন অনেকে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিক শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার দীর্ঘ ভূমিকা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে তার রাজনৈতিক সংগ্রামকে বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে বিধানসভার সদস্যরা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
বিধানসভা সচিবালয়ের প্রধান সচিব সুমেন্দ্রনাথ দাস স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে শোক প্রস্তাবের অনুলিপি কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরহুম নেত্রীর পরিবারের সদস্যদের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়।
এটি শুধু একজন সাবেক রাষ্ট্রনায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়; বরং বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্কেরও বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দেশের কিছু অংশের মানুষের মধ্যে নেতিবাচক বক্তব্য বিনিময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।


