স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে, তবে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়েও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রোববার তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল ও জনমুখী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সেবাপ্রার্থী মানুষ যেন সহজে এবং হয়রানি ছাড়া আইনি সহায়তা পান, তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ এবং দ্রুত সেবা প্রদান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি মানুষের বিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) তার পৃথক বাণীতে পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জবাবদিহিমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে পুলিশকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তর করা হবে।
তিনি জানান, এবারের ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। এই স্লোগানকে সামনে রেখে জনগণের নিরাপত্তা ও সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে বাংলাদেশ পুলিশ।
আইজিপি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও আস্থা ছাড়া কার্যকর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা বজায় রাখা সম্ভব নয়। তাই জনগণের পাশে থেকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


