প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যয়সংকোচনের অংশ হিসেবে খাবারের খাতে উল্লেখযোগ্য কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। সেখানে তিনি জানান, সম্প্রতি নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভায় অত্যন্ত সাদামাটা খাবারের আয়োজন করা হয়। মেন্যুতে ছিল ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে রান্না করা লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, ডিম, ডাল এবং দই।
ডা. জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একজনের দুপুরের খাবার ও বিকালের নাস্তা মিলিয়ে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১৫০ টাকা। আগে এই ব্যয় এর তুলনায় পাঁচ গুণেরও বেশি ছিল বলে জানান তিনি। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তিনি “মিতব্যয়ী ও দায়িত্বশীল প্রশাসনের প্রতিফলন” হিসেবে উল্লেখ করেন।
তার মতে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারি ব্যয় কমানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে জনকল্যাণমূলক খাতে বেশি বরাদ্দ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারি প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠায়ও সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


