তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত প্রথম মন্ত্রিসভার আকার ‘ছোট হবে’ জানালেও শেষপর্যন্ত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ ঘোষণা করেছে বিএনপি। নতুন এই সরকারে যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ৪১ জনই প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ এমন দায়িত্ব পেলেন। এমনকি তারেক রহমান নিজেও প্রথমবার মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছেন।
অতীতে মন্ত্রণালয় চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে, দলটির এমন নয়জন নেতাকে এবার পূর্ণমন্ত্রী করা হয়েছে।
বুধবার সকালেও মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় নেতাদের ছবি ও নামসহ দপ্তরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও নতুন মন্ত্রীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়টির ওয়েবসাইটে মন্ত্রী হিসেবে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে আইনমন্ত্রী, খন্দকার আব্দুল মোকতাদিরকে বাণিজ্যমন্ত্রী এবং জহির উদ্দিন স্বপনকে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে নতুন মন্ত্রিসভায় বড় চমক খলিলুর রহমান, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।অতীতে দলের একাধিক নেতাকে মি. রহমানের সমালোচনা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেলেও শেষমেশ তাকেই টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করে পররাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে বিএনপি।
ফলে এটিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।


