আর মাত্র দুই দিন বাকি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই নির্বাচন। ভোটের দিন সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটার উপস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর ভোট প্রদানের হার সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্র অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে এবং বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব তথ্য ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হবে।
ভোট শেষ হলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের দেওয়া ভোট গণনার বিবরণী অনুযায়ী প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ করা হবে। এসব ফলাফল নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আলাদাভাবে দায়িত্ব নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ইন্টারনাল অ্যাকাউন্ট, টেলিফোন, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ ভোটের আগেই কার্যকর আছে কি না, তা যাচাই করে নিশ্চিত করতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষে ইসি সচিবালয়ের ইন্টারনাল সাইটে নির্ধারিত ‘বার্তা প্রেরণ শিট’-এর মাধ্যমে প্রাথমিক ফলাফল পাঠাতে হবে, যেখানে রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক থাকবে।
ফলাফল ব্যবস্থাপনার জন্য ইসি সচিবালয়ের ইন্টারনাল সাইটে থাকা ইএমএস সফটওয়্যারের নির্ধারিত মডিউল ব্যবহার করা হবে। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অধীনে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দ্রুত ও সঠিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ ও প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।


