সম্পদ ও আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে হাজার বছর ধরে টিকে আছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ। বিয়ে হোক কিংবা বিনিয়োগ, মানুষের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এটি। তবে আধুনিক যুগে স্বর্ণ কেনার সময় ‘ক্যারেট’, ‘হলমার্ক’ বা ‘খাদ’- এই শব্দগুলো বেশ ভাবায় সবাইকে।
এছাড়া স্বর্ণের ওজন পরিমাপের একক নিয়েও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশে ভরি, আনা, রতি শব্দগুলো অনেক বেশি প্রচলিত হলেও বৈশ্বিক পরিসরে স্বর্ণের ওজন পরিমাপের মূল একক ট্রয় আউন্স এবং গ্রাম।
বাংলাদেশে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের সময় ভরি বা আনার হিসেব সামনে এলেও মূল হিসেবটা হয় গ্রাম এককেই।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস প্রতিদিন দেশের স্বর্ণের বাজারে যে দাম নির্ধারণ করে সেটি মূলত গ্রাম হিসেবেই করা হয়।
বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান দোলন বলেন, বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে প্রাচীনকাল থেকেই ভরি বা আনার হিসাব একটি প্রচলিত ধারায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে যারা স্বর্ণ ব্যবসা করেন তারা কিন্তু গ্রামের হিসেবেই কেনাবেচা করেন।
ক্রেতাদের বোঝার স্বার্থে বাংলাদেশে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় গ্রাম থেকে ভরির হিসেবে কনভার্ট বা পরিবর্তন করে নেওয়া হয়। যে হিসেব নিয়েও মাঝেমধ্যে বেশ জটিলতায় পড়েন অনেক ক্রেতা।


