শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি নারায়ণগঞ্জে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যৎ ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ জমি কিনবে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে সম্প্রতি এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৮২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ৩৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ২৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৮৪ পয়সায়।
অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৬৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮৬। এর ৩২ দশমিক ৩৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১ দশমিক ৪৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩২ দশমিক ৯৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


